সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

tonsil-throat-xray.jpg

সুস্থ থাকুন টনসিলের সমস্যা প্রতিকারে ৫টি শীর্ষ ঘরোয়া উপাদান

টনসিলাইটিস হলে সাধারণত সবচেয়ে প্রথম লক্ষণ হিসেবে জ্বর দেখা দেয়, গলা ব্যাথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, হাঁচি, মাথা ব্যাথা, কাশি ও ঢোক গিলতে অসুবিধা হওয়া।

টনসিল হচ্ছে কাঠ বাদামের আকৃতির মতো ছোট গ্রন্থি যা গলার দুই পাশে অবস্থিত। টনসিলের প্রদাহকে টনসিলাইটিস বলে। টনসিলাইটিস সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের ইনফেকশনের জন্যই হয়ে থাকে। প্রদাহে আক্রান্ত হবার ফলেই গ্রন্থির আকার বড়ো হয়ে যায়। এই প্রদাহ মৃদু থেকে মাঝারি এবং মাঝারি থেকে তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।

টনসিলাইটিসের লক্ষণ:
টনসিলাইটিস হলে সাধারণত সবচেয়ে প্রথম লক্ষণ হিসেবে জ্বর দেখা দেয়, গলা ব্যাথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, হাঁচি, মাথা ব্যাথা, কাশি ও ঢোক গিলতে অসুবিধা হওয়া।

টনসিলাইটিস সাধারণত একজনের থেকে অন্যজনের হতে পারে। আজকাল অনেক ধরনের ঔষধই পাওয়া যায় টনসিলাইটিস প্রতিরোধে। তবে সেই সাথে কিছু ঘরোয়া উপায়ও রয়েছে যা কার্যকরীভাবে টনসিলের সমস্যা প্রতিরোধ করতে পারে।

এখানে টনসিলাইটিস প্রতিকারের কিছু উত্তম উপায় উল্লেখ করা হলো:

  • মধু: টনসিলাইটিসের সমস্যা সমাধানে মধুর ভূমিকা সবচেয়ে বেশি উপকারি। খুব কম সময়ে টনসিলের সমস্যা সমাধানে সাহায্য পেতে দিনে কয়েকবার করে ২ টেবিল চামচ মধু খান।
  • আদা: টনসিলাইটিসের সমস্যার কার্যকরী সমাধান পেতে আদা হচ্ছে একটু পুরনো ঘরোয়া উপাদান। প্রতিদিন ৪-৫ বার আদা চা খেতে পারেন দ্রুত আরোগ্য পেতে।
  • লেবু: টনসিলাইটিসের থেকে আরোগ্য পেতে লেবু হচ্ছে একটি চমকপ্রদ ঘরোয়া উপকরণ। কুসুম গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে দিনে বেশ কয়েকবার পান করুন। এটি টনসিলের ব্যাথা দূর করতে সাহায্য করবে।
  • পুদিনা পাতা: পুদিনা পাতা হচ্ছে আরো একটি জনপ্রিয় ঘরোয়া উপকরণ টনসিলের সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে। দিনে ৩ বার পুদিনা পাতা দিয়ে চা তৈরি করে খেতে পারেন টনসিলাইটিসের সমস্যা দূর করতে। যতদিন পর্যন্ত সমস্যা থাকে ততদিন পর্যন্ত এটি খেতে থাকুন।
  • হলুদ: কার্যকরভাবে টনসিলাইটিসের সমস্যা সমাধানে হলুদ উত্তম একটি উপাদান। এক গ্লাস গরম পানিতে এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন। ভালো ফল পেতে দিনে বেশ কয়েকবার খেতে পারেন এটি।

সতর্কতা: এসব ঘরোয়া উপাদানের মাধ্যমে যদি সমস্যা না কমে তবে দেরি না করে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

-
লেখক: জনস্বাস্থ্য পুষ্টিবিদ; এক্স ডায়েটিশিয়ান,পারসোনা হেল্‌থ; খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান (স্নাতকোত্তর) (এমপিএইচ); মেলাক্কা সিটি, মালয়েশিয়া।


এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।