সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

ফুলকপির উপকারিতা

ফুলকপি একটি শীতকালিন সবজি। রান্না ও সালাদ হিসেবে এর অনেক কদর রয়েছে। আমাদের দেশে শীতকালে এই সবজিটি প্রচুর খাওয়া হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে আঁশ এবং ভিটামিন থাকে যা পাচনক্রিয়া বা হজমে খুবই সহায়ক।

এটি অনেক ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম। এর রয়েছে অনেক উপকারিতা। চলুন জানা যাক:

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:
ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। আমাদের দৈনন্দিন যে পরিমাণ পুষ্টির প্রয়োজন পড়ে তার শতকরা ৮০ ভাগ পাওয়া যায় মাত্র ১০০ গ্রাম ফুলকপি থেকে!

হজমে সহায়ক:
ফুলকপিতে প্রচুর আঁশ থাকে। যা খাবার হজমে সহায়তা করে।

আর্থ্রাইটিস প্রতিরোধ:
ফুলকপিতে গ্লুকোরাফানিন থাকে। এটি আর্থ্রাইটিস প্রতিরোধ করতে পারে।

ক্যান্সার থেকে রক্ষা:
ফুলকপিতে থাকা এন্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার এর সম্ভাবণা কমিয়ে দেয়। এতে থাকা ভিটামিন, ম্যাঙ্গানিজ, কুয়েরসেটিন, ক্যাফেয়িক এসিড এবং ক্যাম্পফেরল ক্যান্সার এর ঝুঁকি কমায়।

ওজন কমায়:
ফুলকপিতে ক্যালোরি কম থাকে। ১০০ গ্রাম ফুলকপিতে ২৫ ক্যালোরি শক্তি থাকে। ফলে এটি খেলে শরীরের ওজন কমে।

টক্সিন কমায়:
শরীরের বিভিন্ন ধরনের টক্সিন বের করতে সহায়ক। ফুলকপিতে প্রচুর ফাইটোক্যামিকেল্স থাকে। যাতে গ্লুকোসিনালেট্স পাওয়া যায়। গ্লুকোসিনালেট্স শরীর থেকে টক্সিন বের করতে দিতে সহায়ক।

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি:
ফুলকপিতে কলিন থাকে যা স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। এটি খেলে বয়স্কদের স্মৃতিভ্রমের সম্ভাবণা কম হয়।

রক্তচাপ কমায়:
সালফোরাফেন নামক উপাদান রক্তচাপ কমাতে সহায়ক। ফুলকপিতে এটিও পাওয়া যায়।

উপর্যুক্ত উপকারিতাগুলোর কারণে ফুলকপিকে স্বাস্থ্যকর সবজি বলা হয়। তাই আপনার খাদ্য তালিকায় শীতকাল জুড়ে রাখুন ফুলকপি।

এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।