সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

যে ১২টি টিপস জানলে আপনাকে আর প্রতিদিন ঘরদোর পরিষ্কার করতে হবে না

ঘরদোর গুছিয়ে রাখা ও পরিষ্কার রাখা সবার জন্যই একটা বিশাল চ্যালেঞ্জ। আজকে একটা কিছু গোছালেন, কালকেই সেটা এলোমেলো হয়ে গেলো। আজ কিছু একটা পরিষ্কার করলেন, দুদিন বাদেই ময়লা হয়ে গেলো। বিশেষ করে বাথরুম পরিষ্কার রাখা ও ঘরের ধুলো পরিষ্কার রাখা খুবই কঠিন একটা কাজ। জেনে নিন কিছু অসাধারণ টিপস। এই অসাধারণ টিপসগুলো মেনে চললেই আপনাকে রোজ রোজ ঘরদোর পরিষ্কার করতে হবে না! একবার গোছালে ও পরিষ্কার করলেই ঘরদোর থাকবে বেশ কয়েকদিন ঝকঝকে।

১) বাড়িতে সকলে স্যান্ডেল পরার অভ্যাস করুন। ঘরে পরার আলাদা এক জোড়া স্যান্ডেল থাকবে প্রত্যেকের। এছাড়াও বাথরুমে যাওয়ার জন্য আলাদা স্যান্ডেল থাকবে প্রত্যেক বাথরুমের সামনে, যেটা অন্য কোন কাজে ব্যবহৃত হবে না। এতে আপনার মেঝে ও কার্পেট থাকবে পরিষ্কার। অন্যদিকে বাথরুমও নোংরা হবে অনেক কম।
২) প্রত্যেক ঘরের সামনে, এমনকি রান্নাঘর বা বাথরুমের সামনেও ম্যাট ব্যবহার করুন। এবং সেই ম্যাটে স্যান্ডেল মুছে ঘরে প্রবেশের অভ্যাস করুন। সেই ম্যাট গুলো নিয়মিত ধুয়ে দেবেন। দেখবেন ঘর কত কম নোংরা হচ্ছে।
৩) একটি ভ্যাকুয়াম ক্লিনার কিনে ফেলুন। আজকাল খুব অল্প দামেই এই যন্ত্র পাওয়া যায়। সপ্তাহে অন্তত একদিন বা দুদিন এটা ব্যবহার করবেন। ধুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে এর চাইতে ভালো যন্ত্র আর হয় না।
৪) একটা সহজ অভ্যাস করে ফেলুন। যে জিনিস যেখান থেকে নেবেন, সেই জিনিস ঠিক সেখানেই রাখবেন। এক জায়গা থেকে নিয়ে আরেক জায়গায় রাখি বলেই ঘরদোর এত বেশী এলোমেলো হয় আমাদের।
৫) বাড়িতে যতটা সম্ভব জিনিসপত্র কম রাখার চেষ্টা করুন। অপ্রয়োজনীয় কিছুই জমিয়ে রাখবেন না। আমাদের ঘরদোর মূলত নোংরা হয় এসব অপ্রয়োজনীয় জিনিসের কারণেই।
৬) কাপড় চোপড় কখনো আলমারি বা ড্রয়ার ছাড়া রাখবেন না। কাপড় জিনিসটা এলোমেলো থাকলেই ঘরবাড়ি দেখতে বাজে লাগে। তাই সর্বদা এগুলো চোখের আড়ালেই রাখুন।
৭) ধুলো নিয়ন্ত্রণে জানালায় ভারী পর্দা ব্যবহার করুন। আর রাস্তার দিকে জানালা বা বারান্দা হলে সেগুলো বন্ধ করে রাখুন।
৮) ধুলো কখনো ঝাড়ু দিয়ে ঝারবেন না। তাতে এক জায়গায় ধুলো আরেক জায়গায় যায়। হয় ভ্যাকুয়াম ক্লিন করুন, নাহলে ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে এই কাপড়টি ধুয়ে ফেলুন। হ্যাঁ, কার্পেটের ধুলোও।
৯) মাসে একদিন ফ্যানগুলো পরিষ্কার করুন। এই ফ্যান কিন্তু ঘরদোর ময়লা হবার জন্য মারাত্মক দায়ী। সেই একদিন ঘরের ঝুলও ঝেড়ে ফেলুন। আর ঘর মোছার সময় সর্বদা গরম পানির সাথে গুঁড়ো সাবান মিশিয়ে মুছুন।
১০) বাড়ির সকলকেই সেখান নিজের জিনিসগুলো নিজে গুছিয়ে রাখতে। বাচ্চাদের ছোট থেকেই এই অভ্যাস করান। একবার সবাই এটা শিখে গেলে আপনার পরিশ্রম হবে অনেক কম।
১২) যেসব কাজে খুব ঘরদোর নোংরা হয়, যেমন ধরুন জুতো পরিষ্কার বা তরকারী কোটা, এগুলো একটু বুদ্ধি খাটিয়ে করুন। যেমন, কিছু কোটা বাছা করার সময় পুরনো খবরের কাগজ বিছিয়ে নেবেন। জুতো বা এই ধরণের কিছুর ধুলো ঝাড়ার সময় ছাদে বা বারান্দায় নিয়ে যান।

এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।