সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

cucumber.jpg

উপকারিতা শসার হরেক রকম উপকারিতা

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তরা নিয়মিত শসা খাবেন। শসার রস প্যানক্রিয়াস বা অগ্নাশয়কে সক্রিয় করে। এটি থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। যা ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে কাজ করে।

শসা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য এর ব্যবহার বহু পুরনো। যা সকলেরই জানা। কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী তা কি সবাই জানি? অল্প চর্বি ও শক্তির শসা আপনাকে অনেকগুলো মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়ক। 

শসার সালাদে ইরেপসিন নামক এনজাইম থাকে যা প্রোটিন হজম করতে সহায়ক। এতে শতকরা ৯০ ভাগ পানি ও প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-এ, বি১, বি৬, সি, ডি, পটাশিয়াম, ফসফরাস, লৌহ রয়েছে। নিয়মিত শসার শরবত পান করলে শরীরের ভিতর বাহির উভয়ই মজবুত হয়। 

শসা কোষ্ঠ্যকাঠিণ্য দূর করা সহ পেটের ভিতরের যাবতীয় সসস্যা দূর করতে সহায়ক। এসিডিটি, বুক জ্বলার সমস্যায় নিয়মিত শসা খেলে উপকার মেলে। এখন শসার এমন আশ্চর্যজনক আরো কতগুলো উপকারিতা জানবো। 

চুল ও ত্বকের যত্নে: শসায় থাকা সিলিকন ও সালফার চুলের বৃদ্ধি ত্বরাণ্বিত করে। ভাল ফলাফলের জন্য গাজর অথবা পালং শাকের শরবত ও শসার শরবত এক সাথে পান করতে পারেন। ফেস মাস্ক হিসেবে শসা ব্যবহার করলে ত্বক টানটান থাকে। সানবার্ন থেকে রক্ষা করে। শসায় থাকা এসকরবিক এসিড এবং ক্যাফেয়িক এসিড চোখের নিচের ফোলা কমায়।

ক্যান্সার থেকে রক্ষা: নিয়মিত শসা খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কম হয়। এতে সাইকোইস্নোলএরিক্রিস্নোল, লৈরীক্রিস্নোল এবং পাইনীরিস্নোল পাওয়া যায়। এগুলো ক্যান্সার বিশেষত স্তন ক্যান্সার মোকাবেলায় বিশেষ ভূমিকা রাখে।

রজঃচক্র নিয়মিতকরণ: যাদের অনিয়মিত রজঃচক্র হয় এবং প্রচুর ব্যথা করে তারা নিয়মিত শসা খেতে পারেন। দইয়ের সাথে শসার রস, পুদিনা পাতা, বিট লবণ, শুকনো গোল মরিচ, জিরা এবং হিং মিশিয়ে খেলে অনেক আরামবোধ হবে।

ডায়াবেটিস ও রক্তচাপে: ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তরা নিয়মিত শসা খাবেন। শসার রস প্যানক্রিয়াস বা অগ্নাশয়কে সক্রিয় করে। এটি থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। যা ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে কাজ করে। শসা খেলে কোলেস্টোরলের মাত্রা কম হয়। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কম হয়। শসায় থাকা পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ মোকাবেলা করে। এটি উচ্চ ও স্বল্প উভয় রক্তচাপেরই মহৌষধ।

ওজন কমানো: শসায় অধিক পানি ও অল্প ক্যালরি থাকায় তা ওজন কমাতে পারে। তাই আজই ওজন কমাতে এটি খেয়ে নিন।

চোখের জন্য উপকারী: ফেসপ্যাক লাগানোর সময়ই শসার স্লাইস চোখে লাগান। চোখ ঠাণ্ডা হয়ে জ্বলন কমবে।

মুখের দূর্গন্ধ দূরকারক: শসার ফাইটোকেমিকেল মুখের দূর্গন্ধ দূর করে। এজন্য শসার এক টুকরা আধা মিনিট জিহ্বার উপর রেখে দিবেন।

সন্ধি বা অস্থি জোড়া ঔষধ: শসায় রয়েছে সিলিকা। যা কানেকটিভ টিস্যু সম্প্রসারণের মাধ্যমে সন্ধি স্বাস্থ্য ভাল রাখে। গাজর ও শসার শরবত একসাথে খেলে বাত রোগ থেকে মুক্তি মেলে। এগুলো ইউরিক এসিডের পরিমাণ কমায়।

জানলেন তো শসার কত উপকারিতা? তাহলে আজ থেকেই নিয়মিত শসা খাওয়া শুরু হোক।

তথ্যসূত্র: কেয়ার টু।


এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।