সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

black.jpg

উপকারী টিপস ব্লাক হেডস থেকে মুক্তির উপায়

বেকিং সোডা ত্বক পরিষ্কার করে ব্লাক হেডস দূর করতে সাহায্য করে। দুই টেবিল-চামচ বেকিং সোডা পানিতে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন।

ব্লাক হেডস হল এক ধরনের কালো কালো ছোপ যা সাধারণত নাক, কপাল ও গালের আশেপাশে বেশি দেখা যায়। এটি এক ধরনের খোলা ছিদ্রযুক্ত ব্রণ যা তেল, ধুলোবালি ও মৃতকোষে ভরা থাকে। এই ব্লাক হেডসের কারণে পুরো মুখের লাবণ্য হারিয়ে যায়। ব্লাক হেডসের সমস্যায় কম বেশি সবাইই ভোগেন।

ব্লাক হেডস হয় শরীরের হরমোন পরিবর্তন ও অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহারের কারণে। ব্লাক হেডস স্থায়ীভাবে দূর হয় না। তবে নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার করলে এই সমস্যা কম হয়। তাই প্রতিদিন ত্বকের পরিচর্যা করা জরুরি।

লেবুর রস- লেবুর রস প্রায় সব ধরনের ত্বকের জন্য উপকারী। ত্বক পরিষ্কারে এর জুড়ি মেলা ভার। লেবুর রস ব্লাক হেডস দূর করতেও সাহায্য করে। শুধু লেবুর রস নয়, লেবুর রসের সঙ্গে লবণ, দই ও মধু মিশিয়ে একটি স্ক্রাব তৈরি করুন। লেবুর রসের সঙ্গে দুধ বা গোলাপজল মিশিয়েও ফেস ক্লিনার তৈরি করা যায়। নিয়মিত ব্যবহারে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

গ্রিন টি- এক টেবিল-চামচ গ্রিন টির সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। ব্লাক হেডসের সমস্যা আছে যেখানে সেখানে এই মিশ্রণ দিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। এই পেস্ট ত্বক পরিষ্কার করে ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করবে। 

মধু- মধু ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রেখে পরিষ্কার করে। মধু ত্বককে টানটান রাখে ও ব্লাক হেডস দূর করে। পুরো মুখে মধু লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

হলুদ- হলুদ ত্বকের জন্য খুব উপকারী। পুদিনা পাতার সাথে সামান্য হলুদ মিশিয়ে ব্লাক হেডসের উপর লাগিয়ে রাখুন। কয়েক মিনিট পরে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

বেকিং সোডা- মুখে ময়লা জমে ব্লাক হেডস হয়। বেকিং সোডা ত্বক পরিষ্কার করে ব্লাক হেডস দূর করতে সাহায্য করে। দুই টেবিল-চামচ বেকিং সোডা পানিতে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। ত্বকের যেখানে ব্লাক হেডসের সমস্যা আছে সেখানে এই পেস্ট লাগিয়ে হালকা করে ম্যাসেজ করুন। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করার পর হালকা শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে বেশ উপকার পাবেন।

দারুচিনি- ব্লাক হেডস দূর করতে দারুচিনি বেশ ভালো কাজ দেয়। মধুর সঙ্গে ১ চা-চামচ দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। রাতে ঘুমানোর আগে এই পেস্ট লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। বেশ ভালো ফল পাওয়া যাবে।

যে পদ্ধতিই অনুসরণ করুন না কেন, কয়েকদিন নিয়মিত ব্যবহার করুন তা না হলে ফলাফল বুঝতে পারবেন না। 


এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।