সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

1531.jpg

মহাশূন্যে প্রথম ফুল!

সেদিন বেশি দূরে নেই যেদিন মঙ্গল গ্রহে উৎপাদিত সবজি জায়গা করে নেবে আপনার খাবার টেবিলে! আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে চাষাবাদ নিয়ে কাজ করা নভোচারীদের সাফল্য সে ইঙ্গিতই দেয়।

অসীম মহাশুন্যেও ফুল ফোটাতে সক্ষম হয়েছে অদম্য এ নভোচারীরা। আর একটি কমলা রঙের 'জিনিয়া'-ই মহাশুণ্যে প্রথম ফুল। বহু কাঙ্ক্ষিত  'জিরো গ্রাফিটি গার্ডেনিং' এর পথে কয়েক ধাপ এগিয়ে গেল মানুষ। তাই অদূর ভবিষ্যতে মঙ্গল থেকে সবজি ফলিয়ে পৃথিবী পাঠানো এখন আর কোন স্বপ্ন নয় ।

এমনিতেই জিনিয়া খুব সহজেই ফুটতে পারে বলে পৃথিবীতে বেশ আগে থেকেই সুনাম আছে। তাই বলে মহাশূন্যে একে অঙ্কুরিত করা অতোটা সহজ ছিল না। এমনিতেই অতি উচ্চ মাত্রার  বিকিরণ তার উপর উচ্চ তাপমাত্রা! তাই ডিসেম্বরের দিকে অবস্থা দেখে বেশ  হতাশই হতে হয়েছিল করে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সবাইকে।

কিন্তু ফুলটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা স্কট কেলী গেল রবিবার নির্জন এই ফুলের ছবিটি  টুইট করেন তার প্রোফাইলে। তবে এখানেই থেমে যাওয়া নয় বরং এ প্রকল্প ছিল পৃথিবীর বাইরে শস্য ফেলানোর বৃহৎ পদক্ষেপের একটি অংশ মাত্র। কিন্তু এটাকে ছোট করে দেখতে নারাজ লন্ডন মলার্ড সায়েন্স ল্যাবরেটরির অধ্যাপক ধীরেন কাটারিয়া। বরং তিনি এটাকে একটি যুগান্তকারী সাফল্য হিসেবেই মনে করছেন। ফুল তো হল, নভোচারীদের এই দলটির পরবর্তী লক্ষ ২০১৭ সালের মধ্যে মহাশূন্যে টমেটো চাষাবাদ।


 

 

 

 





এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।