সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

leap-year-2016.jpg

ফেব্রুয়ারি লিপ ইয়ার সম্পর্কিত চমৎকার তথ্য

পরবর্তীতে আরো কিছু সংশোধনের প্রয়োজন হয়। যেটি করেছিলেন পোপ গ্রেগরী ১৩। তিনিই প্রথম লিপ ইয়ার ঘোষণা করেন। আজ আমরা যে ক্যালেন্ডার ব্যবহার করছি সেটির প্রণেতা হচ্ছেন এই গ্রেগরী। তাই তাঁর নামানুসারে ইংরেজি ক্যালেন্ডারকে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার বলা হয়।

আমরা জানি ২০১৬ সাল লিপ ইয়ার। এ বছর শেষ হবে ৩৬৬ দিনে। আর ফেব্রুয়ারি মাস শেষ হবে ২৮ দিনের পবিবর্তে ২৯ দিনে। এখন লিপ ইয়ার নিয়ে কিছু চমৎকার তথ্য দেয়ার চেষ্টা করছি।

আজ থেকে প্রায় ২ হাজার বছর আগে খ্রিষ্টপূর্ব ৪৫ সাল থেকে লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ গণনা করা হয়। এটি শুরু করেন ইতালির সম্রাট জুলিয়াস সিজার। ঐ সময় যে ক্যালেন্ডার প্রচলিত ছিল তাতে ৩৫৫ দিন ছিল। ফলে প্রতি দুই বছর পর পর অতিরিক্ত ২২ দিন যোগ করতে হত।

তবে সে সময় অনেক ভুলের জন্ম হতে থাকে। তখন সিজার তার জোতির্বিজ্ঞানীকে (কারো কারো মতে নাম সোসিজেনেস) ভুল সংশোধন করতে বলেন। জোতির্বিজ্ঞানী তখন ৩৬৫ দিনে বছর ও প্রতি ৪ বছর অন্তর অন্তর ফেব্রুয়ারি মাসের ২৮ দিনের সাথে ১ দিন যোগ করার প্রস্তাব করেন। এটি সম্রাট কর্তৃক গৃহিত হয় এবং তিনি তা দ্রুত কার্যকর করেন।

পরবর্তীতে আরো কিছু সংশোধনের প্রয়োজন হয়। যেটি করেছিলেন পোপ গ্রেগরী ১৩। তিনিই প্রথম লিপ ইয়ার ঘোষণা করেন। আজ আমরা যে ক্যালেন্ডার ব্যবহার করছি সেটির প্রণেতা হচ্ছেন এই গ্রেগরী। তাই তাঁর নামানুসারে ইংরেজি ক্যালেন্ডারকে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার বলা হয়।

চলুনতো গ্রেগরী ১৩ সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য জানি। পোপ গ্রেগরী ৭ জানুয়ারি ১৫০২ সালে পোপ রাজ্যখ্যাত ব্লোগনায় জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রকৃত নাম হচ্ছে যোগী বোনকোনপাগনী। তিনি ব্লোগনার নিকটবর্তী শহরেই লেখাপড়া করেন। কর্মজীবন শুরু করেন প্রফেসর হিসেবে। খুব বিচক্ষণ ও বুদ্ধিমান যোগী ক্যাথলিক ছিলেন। ১৩ মে ১৫৭২ সালে তিনি পোপ হন। পোপ হলে তাঁর নাম হয় পোপ গ্রেগরী ১৩। জানা যায় গ্রেগরী ছিলেন ১৩ তম পোপ। তিনি ১০ এপ্রিল ১৫৮৫ সালে ৮৩ বছর বয়সে পোপ রাজ্য রোমে মৃত্যুবরণ করেন।

আচ্ছা, যে সকল বাচ্চার জন্ম লিপ ইয়ারে হয় তাদের জন্মদিন কি ৪ বছর পর পর পালিত হবে? হ্যাঁ, তারা প্রকৃত জন্মদিন ৪ বছর অন্তর অন্তর পালন করবে। তবে লিপ ইয়ার ব্যতীত বছর গুলোতে ২৮ ফেব্রুয়ারি বা ১ মার্চ জন্মদিন উদযাপন করতে পারবে।

আরেকটি মজার তথ্য। লিপ ইয়ারে জন্মগ্রহণকারী শিশুদের লিপ্লিং বা লিপার বলা হয়।
এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।