সংস্করণ: ২.০১

স্বত্ত্ব ২০১৪ - ২০১৭ কালার টকিঙ লিমিটেড

আজ বিশ্ব ইন্টারনেট দিবস

২৯ অক্টোবর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস পালিত হয় যা বিশ্বের যোগাযোগ, ক্রয়-বিক্রয়, ভ্রমণ, শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, চলতি ঘটনা প্রবাহ সম্পর্কে আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছিল। দিবসটি হচ্ছে বিশ্ব ইন্টারনেট দিবস। একে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট দিবসও বলা হয়। টেলিযোগাযোগ ও প্রযুক্তির প্রযোজনীয়তা স্মরণ করতে ২০০৫ সাল থেকে দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে।

১৯৬৯ সালের আজকের দিনে ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, লস এঞ্জেল্স এর কম্পিউটার গবেষণাগারের একটি কম্পিউটার থেকে প্রথম ইমেইল পাঠানো হয়। কাজটি করেছিলেন ২১ বছর বয়সী স্নাতক বর্ষে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী চার্লি ক্লাইন। রাত সাড়ে ১০টায় স্টানফোর্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউট’স এ তিনি ইমেইলটি পাঠিয়েছিলেন। ইমেইলটিতে ক্লেইন এল (L) এবং ও (O) অক্ষর দুটি লিখে পাঠান। যা স্টানফোর্ডে থাকা ডুভাল পড়ার পরপরই সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায়। যাইহোক, Login নামক একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ যা এক ঘন্টা পর তিনি পুনরায় পাঠাতে সক্ষম হন। আর তখন থেকেই জন্ম হয়েছিল ইন্টারনেটের। ইন্টারনেটের পূর্বে ছিল ARPANET (Advance Research Projects Agency Network).

সেই থেকে আজ অবধি ইন্টারনেটের ব্যবহার বেড়েই চলেছে। বর্তমানে সারাবিশ্বে ৩০০ কোটিরও অধিক লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। এশিয়া মহাদেশে সর্বাধিক ব্যবহারকারী রয়েছে। ব্যবহারকারীর দিক থেকে ইউরোপের অবস্থান দ্বিতীয়।

ইন্টারনেট ব্যবহারে বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই। দেশে ১৯৯৫ সালে অফলাইন ইমেইল এর মাধ্যমে প্রথম সীমিত আকারে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৯৬ সালে প্রথম ভিস্যাট স্থাপিত হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি আই.এস.পি এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে থাকে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্যমতে, ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৬১ লাখ ২৮ হাজার ৫৯২ জন। এ সংখ্যা প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ইন্টারনেট আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে অনেক সহজ করেছে। পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় এনেছে। ঘরে বসেই আমরা পাচ্ছি দেশ-বিদেশের সংবাদ। এটি জ্ঞানের ভাণ্ডার। তবে এর মন্দ দিকও আছে। যা কেবলই নির্ভর করে ব্যবহারকারীর উপর।

তথ্যসূত্র: উইকিমিডিয়া, উইকিপিডিয়া।

-

লেখক: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু)।




এখানে প্রকাশিত প্রতিটি লেখার স্বত্ত্ব ও দায় লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। আমাদের সম্পাদনা পরিষদ প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে এখানে যেন নির্ভুল, মৌলিক এবং গ্রহণযোগ্য বিষয়াদি প্রকাশিত হয়। তারপরও সার্বিক চর্চার উন্নয়নে আপনাদের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। যদি কোনো নকল লেখা দেখে থাকেন অথবা কোনো বিষয় আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য মনে হয়ে থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের কাছে বিস্তারিত লিখুন।